রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই অত্যাচারী শাসক ছিলেন? ★ একজন সম্মানীয় ব্যক্তিত্বের করা এই প্রশ্নে আমি বছরখানেক আগে হতাশ হয়েছিলাম।কিন্তু তখন আমার কাছে কোনো এমন প্রমাণ ছিল না যে তাঁর বক্তব্যকে খন্ডন করতে পারে।আমি নিশ্চুপ ছিলাম।কিন্তু উনিও তেমন কিছু প্রমাণ বা যুক্তি দিতে পারেননি।আমি বুঝেছিলাম এটা গা জোয়ারি কথা বলেছেন।কিন্তু আমিও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নই।বহুদিন ধরে আমি গুরুদেবের কিছু অত্যাচারকে চিহ্নিত করার সুযোগ পেয়েছি;এবং তার জোরেই আজকে এই পোস্ট করছি। আজ্ঞে হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেশ অত্যাচারী শাসক ছিলেন।অর্থসংকটে শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে রবীন্দ্রনাথ সে সংকট মেটাতে একটি বসতবাটিসহ স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর প্রায় সমস্ত গয়না বেঁচে দিয়েছিলেন। এতে করে তিনি বউয়ের প্রতি অতি আচার করেছেন অর্থাৎ অত্যাচার করেছেন। রবীন্দ্রনাথ নিজ জামাই, বন্ধুপুত্রসহ একমাত্র জীবিত ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কৃষি শিক্ষা নেওয়ার জন্য ১৯০৬ সালে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন। সেই প্রায় সোয়াশ বছর আগে অন্যান্য ধনাঢ্য বাঙালির মতো ছেলেকে বিদেশে ব্যারিস্টারি পড়তে না ...
বর্তমানে রাতে মশা দিনে মাছির মতোই সকলের রোগ-জ্বর-জ্বালা একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।এককথায় বলা যায় যে,এই অসুখ-বিসুখ জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছি।এবং এই অসুখ বিসুখ এর প্রতিরোধ নিয়ে মানুষের হাহাকার বুঝতে পারবে না কেও,যদি না সরকারি হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজগুলিতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকে।লাইন দিয়ে টিকিট কেটে লাইন দিয়ে ডাক্তার দেখাতে মানুষ সত্যিই বিপর্যস্ত।ফ্রি পরিষেবা পেতে গেলে একটু কষ্ট তো করতেই হবে। তবে আধুনিক সভ্যতার প্রযুক্তি সর্বত্রই বিরাজমান।সাম্প্রতিক করোনা মহামারীর সময় থেকে সরকারি উদ্যোগে একটি অনলাইন পোর্টাল চালু হয়েছে,যেখানে সমস্ত জেলা সদর ও মেডিকেল কলেজ গুলিতে আগে থেকেই অনলাইনে টিকিট কাটা যাবে,এবং হাসপাতালে এসে আর লাইন দিয়ে টিকিট কাটতে হবে না।শুধুমাত্র ওই অনলাইনে টিকিটটি প্রিন্ট আউট করে নিয়ে এসে ডাক্তার দেখানোর কাছে এন্ট্রি ও স্ট্যাম্প করে নিয়েই সরাসরি ডাক্তার দেখানো যাবে।এতে মানুষের অর্ধেক সময় এবং শ্রম দুই বাঁচবে। আমি সাম্প্রতিক নিজেই এই পদ্ধতিতে ৪-৫ বার ডাক্তার দেখিয়েছি।এবং অনেক পরিচিতের টিকিট করার এই পদ্ধতি বলে দিয়েছি।এতে তারাও অনেকটাই উপকৃত হয়েছেন।তাই সকল বন্ধু দের উদ্দেশ্যে এই বা...