কয়েকদিন আগেই গিয়েছে গণেশ চতুর্থী অর্থাৎ ভগবান গণেশের পূজা। হিন্দু ধর্মে তিনি সিদ্ধিদাতা,বিঘ্নবিনাশক তিনি সকল প্রকার দুশ্চিন্তা হরনকারী,তিনি একাদন্ত অর্থাৎ অহংকারহীনতার প্রতিমূর্তি। তিনি জ্ঞান, বুদ্ধি ঋদ্ধি এবং সিদ্ধির স্বামী। তিনি শুভ এবং লাভের পিতা। তাই এমনিতে প্রতিদিন নিত্য পূজা থেকে শুরু করে সকল অন্ধকার দূরকারী এই দেবতার পূজা ভক্তিভরে সকল ভক্তমাত্রই করে থাকেন। কিন্তু তার জন্মের কাহিনী নিয়ে নানা পুরাণ এবং ধর্ম গ্রন্থে নানা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।পুরাণে গণেশ-সংক্রান্ত অনেক কাহিনির উল্লেখ পাওয়া যায়। গণেশের মাথা হাতির মতো হওয়ায়, তাঁকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।তাঁকে কার্যারম্ভ ও বিঘ্ন অপসারণকারী দেবতা হিসেবে পূজা করা হয়। গণেশ শিল্প ও বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক এবং জ্ঞান ও বুদ্ধির দেবতা। সংস্কৃত সাহিত্যে গণেশ কীভাবে একজন গুরুত্বপূর্ণ দেবতা হয়ে উঠলেন, সেই বিষয়ে সমীক্ষা করতে গিয়ে 'লুডো রোচার' লিখেছেন --- "সর্বোপরি, সবাই এটা খেয়াল করবেন যে, গণেশ-সংক্রান্ত যে অসংখ্য গল্প প্রচলিত আছে, তা দানা বেঁধেছে অল্প কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে। এই ঘটনাগুলির সংখ্যা প্রধানত তিনরক...
ইতিহাস এবং অন্যান্য যেকোনো বিষয় সম্পর্কে পরিমার্জিত যথাযথ,আলোচনার চেষ্টাই হল এই ব্লগের উদ্দেশ্য। পড়ুন,জানুন,অন্যকে জানান,জ্ঞানী হন।পড়াশোনা বা জানার থেকে বড়ো কিছু এই পৃথিবীতে নেই।।