সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"জামাইষষ্ঠী" ও "জলভরা" সন্দেশের উৎপত্তি ও ইতিহাস

★ জামাইষষ্ঠি ও জলভরা সন্দেশের উৎপত্তি ও ইতিহাসঃ- খাদ্যরসিক বাঙালীর কাছে "জ" শব্দটি খুবই জনপ্রীয় এবং আমোদপ্রীয় অক্ষরও বটে।এখন আপনারা বলবেন যে এত্ত ভালো ভালো অক্ষর থাকতে শেষে কিনা "জ" ।কই,আমরাও তো বাঙালী "জ" কে তো এত্ত পাত্তা দিই না।আরে মশাই আপনিও দেন,,,বলছি তো দেন।নাহলে "জামাষষ্ঠী " কবে আসবে,আর শ্বাশুড়ি মার হাতে কত্ত কি লিচু,আম,কলা,মাংস-টাংস খাবেন তার জন্য দিন গোনেন কেন?আর সেই "জামাইষষ্ঠীর" মিষ্টির পাতে "জলভরা" থাকবে না এটা কখনো কি সম্ভব? যাইহোক এতক্ষনে মনে হয় আপনারা প্রত্যেকেই "জ" এর মাহাত্ম্য বুঝে গিয়েছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এখানে আমি "জ"এর উৎপত্তি দেখাতে আসিনি,এই যে "জ" দিয়ে দু-দুটো শব্দ পেলাম,তারই ইতিবৃত্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি।তবে এবার আসা যাক আসল কথায়। বাঙালীর ঘরে ঘরে বৌভাতের মতোই জামাইষ্ঠী হল একটি সম্পর্কের সম্মানার্থে পালনীয় উৎসব।প্রথমটি নববধূর আগমনে অনুষ্ঠিত হয়,দ্বিতীয়টি অনুষ্ঠিত হয় জামাতার আগমনে।কিন্তু আপনি কি জানেন, জামাই ষষ্ঠী আসলে জামাইদের উৎসবই নয়? অবাক হচ্ছেন...

"জীবানু তত্ত্ব'ও "হাত ধোওয়া"-র জনককে বলা হয়েছিল পাগল মারা হয়েছিল পিটিয়ে।

বর্তমান করোনা সংক্রমিত বিশ্বে "হাত ধোওয়া" সূর্য ও চন্দ্র উদয়ের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।কিন্তু আপনি কি জানেন ১৬০ বছর পূর্বে এই হাত ধোওয়া-র আবিষ্কর্তাকে এই প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য পিটিয়ে মারা হয়েছিল,চিহ্নিত করা হয়েছিল পাগল বলে।ঠিক যেমন  কোপারনিকাস,গ্যালিলিও ও ব্রুনোকে তাঁদের মৌলিক চিন্তা ভাবনার জন্য মাশুল দিতে হয়েছিল। এবার আসা যাক আসল কথায়।প্রায় ১৬০  বছর আগের কথা। হাঙ্গেরিয়ান চিকিৎসক ইগনাজ ফিলিপ স্যামেলওয়াইজ প্রথম কাজ শুরু করেছিলেন ভীয়েনা জেনারেল হাসপাতালে। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি ভিয়েনা জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যুর হার ছিল খুব বেশি। সাধারণের চেয়ে তিনগুণ বেশি প্রসূতি মারা যেতেন। চাইল্ড বেড ফিভার নামের এক ধরণের অসুখে আক্রান্ত ছিল তখনকার শিশুরা।এরফলে প্রসূতিদের জন্মদেওয়া বাচ্ছারাও মারা যেত।তখন তিনি খুঁজে বের করতে চেয়েছিলেন যে,কেন এই বিভাগের বাচ্চারা মারা যাচ্ছে।সুতরাং তিনি অবিলম্বে পর্যবেক্ষন শুরু করলেন।                ★ ভিয়েনা জেনারেল হাসপাতাল                ...

চেঙ্গিজ খান : ইতিহাসে একটি আর্তনাদের নাম

ইতিহাসের এক অন্যতম বিতর্কিত, বর্বর,অত্যাচারী,হিংস্র চরিত্র হল চেঙ্গিস খান।ইতিহাস পড়া সমস্ত ব্যক্তিই কমবেশি তাঁর সম্পর্কে জানেন বা এই নামের সাথে পরিচিত।পৃথিবীর ইতিহাসে তার সমকক্ষ পৃথিবীতে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন। যিনি  এককভাবে জয় করেছিলেন পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি অঞ্চল এবং যিনি একই সাথে ৪ কোটি নিরাপরাধ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। ধ্বংস, হত্যা, চাতুর্য, ক্ষমতা, লিপ্সা এবং রণকুশলতার এক অভূতপূর্ব মিশেলে গড়া চেঙ্গিস খানের জীবন কাহিনী যেন একটি জীবন্ত সিনেমার মত। তার ঘটনা বহুল জীবনের রোমাঞ্চকর উত্থান পতন এবং অচিন্তনীয় ধ্বংসলীলা সম্পর্কে না জানলে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ত আপনার অজানাই থেকে যাবে। তাই চেঙ্গিস খানের জীবনের কিছু বিস্ময়কর তথ্য এখানে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম। ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়। ★ জন্ম ও জন্মস্থানঃ- মঙ্গোলিয়ার স্তেপ বা তৃণ চারণভূমিতে জন্ম হয়েছিল ইতিহাস সৃষ্টিকারী দাপুটে এই বিজেতার। মনে করা হয় চেঙ্গিসের জন্মস্থান ছিল উত্তর মঙ্গোলিয়ার খেনতি পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত বুরখান খালদুন পর্বতের খুব কাছে দেলুন বলদাখ নামের এক জায়গায় ।তাঁর জন্ম খুব সম্ভবত ১১৬২ সালে।তবে চেঙ্...

নোকিয়া কোম্পানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

" নোকিয়া " নামটির সাথে আমরা সকলেই ভীষন পরিচিত।কিন্তু জানেন কি এই "নোকিয়া" নামটির উৎপত্তির ইতিহাস।না এটা কোনো মোবাইল কোম্পানির নাম থেকে আসেনি।আসলে একটি নদীর নাম, ধার নিয়েছিলেন এক ইঞ্জিনিয়ার নদী তীরে চুপটি করে বসে আছে, ছোট্ট একটা শহর, নদীর নামানুসারে কোলাহলহীন এই শহরটির নামও নোকিয়া।আমরা সকলেই কম বেশি জানি যে,মোবাইল ফোনের জগতে ঝড় তোলা কোম্পানি নোকিয়া, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের কোম্পানিগুলির কাছে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব খুইয়ে ফেললেও, নোকিয়া নামটি কিন্তু গেঁথে আজও আছে মানুষের মনের ভেতর।  আসলে এই নোকিয়া নামেই আছে জাদু। যে নামের বয়স হয়তো কয়েক হাজার বছর। নোকিয়া আসলে ফিনল্যান্ডের একটা নদীর নাম। পুরো নাম ছিল ‘ নোকিয়ানভির্তা ’, পরে নামটা হয়ে যায় ‘ নোকিয়া ’। পিরাকানমার পাইয়াজার্ভি হ্রদ থেকে সৃষ্টি হয়ে, ৯ কিলোমিটার পথ অত্যন্ত্য ধীরগতিতে পাড়ি দিয়ে, কুলোভেসি হ্রদে গিয়ে পড়েছে এই ছোট্ট নদীটি। অপরূপ নিসর্গের জন্য পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই নদীটি। অসামান্য সৌন্দর্য্য ঘিরে আছে নদীটিকে। পাথর দিয়ে তৈরি করা পুরানো কিছু প্যালেস। ঢেউ খেলানো সবুজ ঘাসের গালচে পাতা পার্ক। ...