ইউরোপের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তখন জ্ঞানদীপ্ত স্বৈরাচার,উচ্চারিত হচ্ছে চতুর্দশ লুইয়ের আমিই রাষ্ট্র অমোঘের মতো,স্থবির সমাজের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে,জ্ঞানীগুণী ব্যাক্তিরা সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিপ্লবের গুঞ্জন তুলছেন।ভারতবর্ষের সমাজ-ব্যাবস্থায় অষ্টাদশ শতাব্দীর অন্ধকার তখনও কাটেনি। ঠিক এই সন্ধিক্ষনে এক যুগাবতার জন্মগ্রহন করেন।তিনি আর কেও নন ভারতের মহান সন্তান রাজা রামমোহন রায়(১৭৭৪,২২ মে) হুগলী জেলার অন্তর্গত খানাকুল-কৃষ্ণ নগরের কাছে রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতা ছিলেন রামকান্ত রায়,মাতা-তারিণী দেবী। রামমোহনের পূর্বপুরুষ রাজ সরকারের কাজ করে ‘রায়রায়ান’ উপাধি লাভ করে। তবে তাদের কৌলিক উপাধি ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’। পিতা রামকান্ত ও তারিণী দেবী দুইজনই ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন। রামাকান্ত শেষ জীবনে বৈষ্ণব হোন এবং হরিনাম করে জীবনের শেষ দিনগুলো অতিবাহিত করেন। অন্যদিকে তারিণী দেবী’তো কোর্টে রামমোহনের বিরুদ্ধে মামলা-ই করে বসেন! বিচারের সময় সগর্বে উচ্চারণ করেছিলেন- ধর্মত্যাগী পুত্রের মস্তক যদি এখানে ছিন্ন করা হয় তাহলে আমি পুণ্য কাজ বলে মনে করব। ছেলে বিধর্মী, তাই পৈতৃক সম্পত্তির অধিকারী ...
ইতিহাস এবং অন্যান্য যেকোনো বিষয় সম্পর্কে পরিমার্জিত যথাযথ,আলোচনার চেষ্টাই হল এই ব্লগের উদ্দেশ্য। পড়ুন,জানুন,অন্যকে জানান,জ্ঞানী হন।পড়াশোনা বা জানার থেকে বড়ো কিছু এই পৃথিবীতে নেই।।