সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন নিয়ম।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন নিয়ম:
👉 যোগ্যতা থাকলে একসঙ্গে পাঁচটি গ্রুপ , আপার প্রাইমারি, নবম-দশম, একাদশ দ্বাদশ, ওয়ার্ক এডুকেশন এবং ফিজিক্যাল এডুকেশনে আবেদন করা যাবে।
👉 আপার প্রাইমারি জন্য টেট বা টেট পাশের সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং বাকি চারটি গ্রূপের প্রিলিমিনারী পরীক্ষা হবে ১৫০ নম্বরের। আমার মনে হয়েছে টেট/পিটি একটাই সিলেবাস।
👉টেট পরীক্ষায় 60% এবং সংরক্ষিত প্রার্থীদের 55% পেলে,পিটি পরীক্ষায় কমিশনের কাট ওফ মার্কের মধ্যে থাকলে মেইন পরীক্ষার খাতা দেখা হবে।
Note:1)বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী টেট/পিটি(MCQ) এবং মেইন একই দিনে হওয়ার সম্ভাবনা।
2)মেইন পরীক্ষা: a)প্রথম ভাষা (যে মাধ্যমে আবেদন করবেন) 50 এবং দ্বিতীয় ভাষা ( ইংরেজি) 50 মার্কের
b) বিষয়ের উপর 100 নম্বরের described হবে।

Total Exam 300 marks
TET/PT 150 Marks of 100%=100
Language 1+ language 2=50+50=100
SUBJECT=100

👉 Academic নম্বরের কোন গুরুত্ব নেই।
👉 ইন্টারভিউ হবে না।
👉 কোন ওয়েটিং লিস্ট থাকবে না।
👉 প্যানেল কিভাবে তৈরি হবে: আপনার দেওয়া পছন্দ অনুযায়ী
আপনি আপার প্রাইমারি, নবম-দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য আবেদন করেছেন। পরীক্ষা দেওয়ার পর দেখা গেল
1st preferred একাদশ দ্বাদশ:Not empanelled
2nd preferred নবম-দশম: Empanelled Rank 25
3rd preferred Upper primary: Empanelled Rank 10
নিয়ম অনুযায়ী আপনি নবম-দশম শ্রেণীতে চাকরি পাবেন।

👉এবার থেকে কোন ভেরিফিকেশন হবে না কারণ শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাস্ট সার্টিফিকেট স্ক্যান করে ফর্ম পূরণের সময় আপলোড করতে হবে।
👉যোগ্যতা: অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
👉 পাঁচটি গ্রুপের জন্য একটাই অভিন্ন টেট/পিটি পরীক্ষা হবে কিন্তু আপার প্রাইমারি জন্য নির্দিষ্ট নম্বর পেলে পাশ করবেন আবার বাকি চারটি গ্রূপের জন্য, গ্রুপ ভিত্তিক, বিষয় ভিত্তিক, ক্যাটাগরি ভিত্তিক,মিডিয়াম ভিত্তিক কাট ওফ মার্ক আলাদা আলাদা হতে পারে।
যেমন আপনি আপার প্রাইমারি, নবম-দশম,একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য আবেদন করেছেন।
আপার প্রাইমারি:60% general candidate for all subject and 55% reserved category for all subject.
নবম-দশম: 
Bengali subject Gen 70 OBC A 65 OBC B 68 SC 60 ST 50
ENGLISH SUBJECT: Gen 74 OBC A 70 OBC B 71 SC 65 ST 60
এইভাবে অন্যান্য বিষয়।
একাদশ দ্বাদশ:
Bengali subject Gen 75 OBC A 71 OBC B 72 SC 70 ST 65
ENGLISH SUBJECT: Gen 73 OBC A 70 OBC B 71 SC 66 ST 55
👉আপার প্রাইমারি তে valid Tet Certificate থাকলে সরাসরি মেইন পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
পিউর সাইন্স (Mathematics+Physics+Chemistry=100 মার্কস)
Bio Science
Bengali
English
Sanskrit
Arabic
Hindi
History
Geography

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভারতবর্ষে পর্তুগীজ আগমনের ইতিবৃত্তঃ- একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

প্রাচীনকাল থেকেই বৃহত্তর বঙ্গদেশ( বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, বিহার, উড়িষ্যা, আসাম ) ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের এক অন্যতম সমৃদ্ধ অঞ্চল। বাঙলার ক্ষেতের অফুরন্ত ফসল এবং তাঁতিদের হাতে বোনা কাপড়,ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধনসম্পদের লোভে যুগ যুগ ধরে দেশ-বিদেশের বণিকরা ছুটে এসেছে এই দেশে।ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে ইউরোপীয় বণিকদের আনাগোনা শুরু হয় এই বাঙলায়। ইউরোপীয়দের মধ্যে সমুদ্রপথে পর্তুগিজরাই প্রথম বাঙলায়, তথা ভারতীয় উপমহাদেশে এসে পৌঁছায় ও বাংলাসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে। মুঘল সম্রাট আকবরের অনুমতিবলে হুগলীতে তারা পর্তুগিজ বন্দর-নগরী পত্তন করেছিল। সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে হুগলী ছিল বাঙলার অন্যতম প্রধান এক নগরী।তবে এখানে এসে তারা পরবর্তীসময়ে হার্মাদগিরি করার ফলে সম্রাট শাহজাহান সহ পরবর্তী সম্রাটদের বিরাগভাজনের কারন হন তারা।এসব বিভিন্ন কারণে সপ্তদশ শতকের শেষের দিকে পর্তুগিজরা হুগলী ছেড়ে চলে যেতে শুরু করলে সেই স্থান দখল করে ইংরেজ ও ওলন্দাজরা । কিন্তু এখনো একটু খোঁজ করলেই হুগলীর পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সন্ধান পাওয়া যায় – হয়ত কোন একটা এলাকার নাম, অথবা কোন একটা...

"জয়নগরের মোয়া-উপাখ্যান"

শীতকাল এলেই বাঙালীর যেটা সবার আগে মাথায় আসে তা হল নলিনগুড়,পিঠেপুলি,আর জয়নগরের মোয়া।এগুলো ছাড়া চলবেই না।আমরা সকলেই এইসব বিভিন্ন খাদ্যের সাথে পরিচিত।আজ এরকমই এক সুস্বাদু মিষ্টান্ন "জয়নগরের মোয়া" -র ইতিবৃত্ত তুলে ধরছি আমার ছোট্ট প্রবন্ধ-পটে।ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। ইতিহাসের সাথে ভূগোলের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়।ভূগোল ছাড়া ইতিহাস সম্ভব নয়,সুতরাং ভৌগলিক দিক থেকে জয়নগর মজিলপুর হলো দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ছোট্ট একটা গ্রাম। প্রায় পাঁচশো বছর আগে আদি-গঙ্গা এইখান দিয়ে বয়ে বয়ে মিশে গিয়েছিলো বঙ্গোপসাগরে। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর শিষ্যদেরকে নিয়ে নীলাচলে যাবার সময় এখানে থেমে ছিলেন। সাংস্কৃতিক আবহাওয়ায় পরিপুষ্ট এই অঞ্চলটিকে অনেকেই পশ্চিম বাংলার 'দ্বিতীয় নবদ্বীপ' বলেও অভিহিত করে থাকেন। মোটামুটিভাবে ধরা হয়,১৯২৯ সাল নাগাদ এই অঞ্চলের প্রসিদ্ধ দুই ব্যক্তি নৃত্যগোপাল সরকার (বুচকি বাবু) এবং পূর্ণচন্দ্র ঘোষ, দু'জনে মিলে সর্বপ্রথম 'মোয়া' নামক লোভনীয় মিষ্টান্নটির জন্ম দেন। তারপর সেই মোয়ার সুস্বাদ, সুঘ্রাণ আর গুণ ক্রমে ক্রমে সারা পশ্চিমবঙ্গে তো বটেই, এ...

"কালাপাহাড়"- ইতিহাসে একজন ধ্বংসকারী হিসাবে পরিচিত

প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না। তাহলে যার কানে ভালো কথা প্রবেশ করে না—সে-ই ‘কালা’। কখনও কখনও পাহাড় কালো রঙের হয়, বিশাল চেহারার কাউকে আমরা পাহাড়ের সঙ্গে তুলনাও করে থাকি। বিরাট আকারের কালো রঙের মহিষ—কালাপাহাড়? কিন্তু এই কথাটা মনে এলেই মনে পড়ে এটা একজন বিরাট চেহারার দস্যু— যে ধর্ম মানে না— ধর্মস্থান গুঁড়িয়ে ফেলে লুঠতরাজ চালায় আর বড্ড গোঁয়ার গোবিন্দ। পাষাণের মতোই তার কঠিন মন— কারও কথায় কান দেয় না।একজায়গায় রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন এমন লোকের কথা ভেবেই—‘পিতামহের কীর্তির প্রতি কালাপাহাড়ি করা।’ তাহলে বোঝাই যাচ্ছে যে,লোকটা মোটেই সুবিধের ছিল না— সব কিছু ভেঙেচুরে নষ্ট করে ফেলাতেই যার প্রবল আনন্দ।তবে এর পিছনেও নির্দিষ্ট কারণ ছিল,ছিল হিন্দুধর্মের গোঁড়ামি,রক্ষণশীলতা,অস্পৃশ্যতা। তবে পরিচয়য়ের দিকে যাওয়া যাক এবার। কালাপাহাড় (১৫৩৪-১৫৮০ ) ছিলেন কররানী রাজবংশর এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি। তার বাড়ি ছিল অধুনা বাংল...